আজ মহা সপ্তমী পূজা।
শাহরিয়ান আহমেদ শাকিল
বড়লেখা (মৌলভীবাজার)  প্রতিনিধিঃ
আজ মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর, ১৬ আশ্বিন শাস্ত্র মতে আজ মহাসপ্তমী। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই মাঙ্গলীক অনুষ্ঠাদি শুরু হবে।সোমবার দিনের শুরুটা দেবী আনন্দময়ী প্রাণ প্রতিষ্টা করে।চিন্তা উদ্বেগ দুরে সরিয়ে রেখে হিন্দু পরিবারগুলো আজ গাঁ ভাসাবে সপ্তমীর জোয়ারে।মহালায়ার শিউলি বিছনো ভোরে শুরু হয়েছিল উৎসবের আলাপ। মহাসপ্তমী তে সেই সুর সপ্তমে পৌঁছে গেল।
বলা হয়ে থাকে ষষ্ঠী যদি পূজার প্রিমিয়ার হয় তাহলে সপ্তমী পূজার শুরু। শাস্ত্রমতে পূজার শুরুটা মহা-সপ্তমীতেই। অবশ্যই সেই অপেক্ষায় থাকেন নি ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। ষষ্ঠী থেকে বেজে গিয়েছে পূজার ঘন্টা।মন্ডপে, মন্ডপে ছড়িয়ে পড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়।শহর জুড়ে আলোর রোশনাই। রাতভর শুধু ঠাকুর দেখা।
মহাসপ্তমী সপরিবারের মা দূর্গার পিতৃগৃহে প্রবেশের দিন।দেবীর নবপত্রিকাস্নান ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা দিয়ে দিনের মুখ্য আচরণ শুরু হয়েছে। এতদিন পর বাপের বাড়ি ফিরেছে মেয়ে। সুতরাং গুচি শুদ্ধ না করে মেয়েকে কি ঘরে তোলা যায়। তা না হলে  অঙ্গল হবে যে। তাই ভোর হতে শুরু হয়ে যায় নবপত্রিকা স্নান। একে, একে  হয়েছে মহাস্নান, অষ্ট কলস স্নান, আবাহন, চক্ষুদান, প্রাণ প্রতিষ্ঠা। তারপর পুরোহিতের মন্ত্রচ্চারণ। ঢাকের আওয়াজ।
সে অনুযায়ী, সূর্যদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সপ্তমী পূজার রীতি মেনে নবপত্রিকা ( কলাবউ) স্নানের পর শুরু হয়েছে দুর্গার অরোধনা। এরপর ঘট বসিয়ে সংকল্প। ফলনের দেবী হিসাবে মহা-সপ্তমীতে দুর্গাপূজা হয়। অন্যান্য আরো ৮ টি গাছের সঙ্গে বেল গাছের শাখা কেটে রাখা হয়। বলা হয় ষষ্ঠীর রাতে এই বেল গাছের শাখাতেই দেবী নেমে এসেছিলেন ও সারারাত বিশ্রাম নিয়ে ছিলেন এই নয়টি গাছের শাখাকে স্নান করিয়ে পূজার জায়গা নিয়ে আসা হয় এবং এরপরেই মাটির প্রতিমায় হয় প্রাণ প্রতিষ্ঠা।