কুলিয়ারচরের ফরিদপুর ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫
মোঃ আলী সোহেল, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আসন্ন তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ফরিদপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী দুই গ্রুপের সমর্থকদের মাঝে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এই ঘটনায় কিছু সংখ্যক দোকানপাট ভাংচুর করা হয় এবং আহত হন কমপক্ষে ৫ জন।
আহতদের উদ্ধার করে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা যায় শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে কুলিয়ারচরের ফরিদপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আজিজুল্লাহ আজুর নির্বাচনী সভার আয়োজন করেন। রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সভা চলে।সভা শেষ হওয়ার পর ফরিদপুর মাজার সংলগ্ন মামুন সুপার মার্কেটের পাশে এসএ আজিজ উল্ল্যাহর সমর্থক মোঃ আল-আমীন ভূঁইয়া টিংকু ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মাসুদুর রহমান মুছার সমর্থক চাকুরিজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির ও মামুনের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটির একটা পর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদুর রহমান মুছা সমর্থকরা এগিয়ে আসলে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে নৌকার কর্মী সমর্থকরা দা, বল্লম ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে সরকারি ফরিদপুর ইউনিয়নের চাকরিজীবীদের অরাজনৈতিক সংগঠনের চাকুরিজীবী পরিষদ অফিসে হামলা চালিয়ে অফিসের দরজা-জানালা, ভিতরের আসবাবপত্র ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে।
পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর হোসেন ভূঁইয়ার বাড়ি সহ তার মামুন সুপার মার্কেটের ৫/৭টি দোকান, আরাফাত কেমিক্যাল ওয়ার্কসের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ ফজলুর রহমান ও ফরিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম মস্তোফা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কিছু উশৃঙ্খল সমর্থকের কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।