দিনাজপুর প্রতিনিধঃ জেনারেল দিনাজপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রােগীর শয্যা আছে ১০টি। সেই ১০টি শয্যার বিপরীতে গতকাল বুধবার দুপুর পর্যন্ত রােগী ভর্তি ছিলেন ৪৪ জন। সিভিল সার্জন জানান, শুধু জেনারেল হাসপাতালই নয়, জেলার মােট ১২টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেড় শতাধিক ডায়রিয়া রােগী ভর্তি আছেন। এ ছাড়া গতকাল পর্যন্ত বহির্বিভাগে ডায়রিয়ার সমস্যায় চিকিত্সাসেবা নেন ছয় শতাধিক রােগী। গতকাল দুপুরে ২৫০ হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় করিডৱে রােগীদের ভিড়। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। অন্যান্য সময়ে ডায়রিয়া রােগী গড়ে ৮ থেকে ১০ জন ভর্তি থাকলেও ১ মার্চ থেকে রােগীসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে ৪০ জনের বেশি। সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্সরমা রানী হাসপাতালের রেজিস্টার দেখে জানান, গতকাল দুপুর পর্যন্ত এই হাসপাতালে মােট রােগী ভর্তি হন ২১৩ জন। এর মধ্যে ৪৪ জন ডায়রিয়ার রােগী। চলতি মাসের শুরু থেকে ডায়রিয়া রােগী বাড়তে থাকে। শুরুতে ২৫ থেকে ৩০ জনের মধ্যে থাকলেও বর্তমানে ৪৫ থেকে ৫০ ছাড়িয়েছে। দিনাজপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) পারভেজ সােহেল রানা বলেন, সদ্য শীতকাল শেষ হয়েছে। মানুষের খাদ্যাভ্যাসের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।