বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো গিভিং টুইসডে উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশে দ্বিতীয় বারের মতো উদারতা আন্দোলন গিভিং টুইসডে পালন করা হয়েছে এ বছর গতকাল ২৯শে নভেম্বর মঙ্গলবার সারাবিশ্বে একযোগে উদযাপন করা হয়েছে।
বিশ্বের প্রায় ৮০টির বেশি দেশ প্রতিবছর গিভিং টুইসডে নামে এ দিবসটি উদযাপন করে । এটিকে উদারতা দিবসও বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে দিবসটি ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিবস টি পালন করা হয়। “আমাদের কাছে দুটি দিন রয়েছে যা অর্থনীতির জন্য ভাল। এখন আমাদের কাছে এমন একটি দিন রয়েছে যা সম্প্রদায়ের জন্যও ভাল” স্লোগানে বিশ্বব্যাপী মানুষের উদারতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবন্ধীদের ও অসহায়দের কল্যাণে তাদের সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে স্থানীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের সময়, সম্পদ এবং প্রতিভা বিকাশে অনুদানকে উত্সাহিত করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে গিভিং টুইসডে। এটি অংশীদারদের একটি অনন্য মিশ্রণের সম্মিলিত শক্তিকে একত্রিত করে অলাভজনক, নাগরিক সংস্থা, ব্যবসা এবং কর্পোরেশন, সেইসাথে পরিবার এবং ব্যক্তি দয়ার ছোট কাজগুলিকে উৎসাহিত করতে এবং দানের ক্ষেত্র প্রসারিত করতে বিশ্বজুড়ে গিভিং টুইসডে উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে অর্গানাইজেশন ফর ডিসএবলড ইম্প্রুভমেন্ট এন্ড রাইটস (ODIR Bangladesh) নামের একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালির রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব শাকিল আজাদ মনন বলেন ‘প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যানে সমাজের উচ্চবিত্ত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন দাতা সংস্হা সামাজিক দ্বায়বদ্ধতায় থেকে গিভিং প্র্যাকটিস অব্যহত রাখবে তাই এই কার্যক্রম টাকে এদেশে প্রতিষ্ঠিত করাই হলো মূল লক্ষ্য। আমাদের দেশে কোন ব্যক্তি, সংগঠন বা সরকার কেউই এই দিবসটি উদযাপন করে না। এটি একটি ভাল উদ্যোগ। আমরা অদির বাংলাদেশ ক্ষুদ্র সংগঠন হিসেবে এই দিবসটিকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে সমাজের উচ্চবিত্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে উদ্ধুদ্ধ করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আইন দুটির বাস্তব প্রয়োগে সরকারের জরুরি পদক্ষেপের পাশাপাশি উচ্চবিত্ত সমাজ, স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ, কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বা সিএসআর এর আওতায় বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও দাতা সংস্থা গুলোকেও প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
উল্লেখ্য গিভিং টুইসডে হল বিশ্বব্যাপী একটি উদারতা আন্দোলন যা প্রতি বছর সংঘটিত হয় এবং মানুষের আমূল উদারতার শক্তি প্রকাশ করে। গিভিং টুইসডে ২০১২ সালে একটি সাধারণ ধারণা হিসাবে তৈরি করা হয়েছিল। এটি এমন একটি দিন যা মানুষকে ভাল কাজ করতে উৎসাহিত করে৷ তারপর থেকে এটি একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে যা কোটি কোটি মানুষকে উদার হতে, সহযোগিতা করতে এবং উদযাপন করতে অনুপ্রাণিত করে।