বাউফলে ছাত্রনেতা সোহাগ ও স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে দুটি সাঁকো নির্মাণ

1918

বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার ১নং কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত চরকারখানা গ্রামের গরীব দুঃখী মানুষের বন্ধু বর্তমান ছাত্র নেতা ও নির্ভীক সমাজসেবক মোঃ সালাউদ্দিন সোহাগ তার ব্যক্তিগত উদ্যাগে তার অবহেলিত গ্রাম চরকাখানার সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের জনসেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গত

৪ মে ২০২১ইং রোজ মঙ্গলবার চরকারখানা যুব সমাজের উদ্যাগে দুইটি বাঁশের সাঁকো নিজের অর্থায়নে নির্মাণ করেন। নির্ভীক সমাজসেবক ও ছাত্র নেতা সালাউদ্দিন সোহাগ গত বছর ২০২০ সালে তার নিজ গ্রামের অবহেলিত সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য দুটো মাটির রাস্তা যুবসমাজের উদ্যাগে নির্মাণ করে দেন। একটি রাস্তা ছিল ৬০০ মিটার অন্যটি ছিল ৩৫০ মিটার। সমাজসেবক সোহাগের এই উন্নয়নমূলক উদ্যাগের জন্য ওই গ্রামের মানুষের মুখে উজ্জ্বল হাসি ফুটেছে, ঘুচতে শুরু করেছে তাদের দূর্ভোগ।
প্রতিবেদনকের এক সাক্ষাৎকারে ছাত্র নেতা সালাউদ্দিন সোহাগ বলেন, আমরা গ্রামের মানুষ, আমাদের এই গ্রামটি সম্পূর্ণ চর অঞ্চল। সাধারন মানুষের বাজারে যাওয়ায় কোন সু-ব্যবস্থা নেই, নোই কোন পাকা রাস্তা, নেই কোন ব্রিজ। তাই গ্রামের বন্ধু মহলদের নিয়ে দুটো সাঁকো ও দুটো মাটির রাস্তা যুবসমাজের উদ্যাগে নির্মাণ করেছি এতে করে সহযেই গ্রামের মা-বোন, কৃৃষক, ব্যবসায়ী, স্কুল কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীর ও সাধারণ জনগণ চলাচল করতে পারে। সালাউদ্দিন সোহাগ আরো বলেন, আমাদের এই উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারের প্রতিনিধি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি সাহায্যের হাত বাড়তো তাহলে চর অঞ্চলের মানুষগুলো তাদের নাগরিক অধিকার পেত ও সরকারের উন্নয়ন কাজগুলো থেকে বঞ্চিত হতো না।
তাই আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ জানাই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে চরকারখানা গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার মানও যেন উন্নয়নের রোল মডেলে যায় সেই বিবেচনা কামনা করছি। সালাউদ্দিন সোহাগ বলেন, চরকারখান যুব সমাজ ভবিষ্যতে এরকম আরো জনসেবামূলক কাজ করতে বদ্ধপরিকর।
চরকারখানা যুবসমাজের স্বেচ্ছায় উন্নয়নমূলক কাজ করে এবং ভবিষ্যতে করতে প্রস্তুত সদস্যরা। এরা হলেন মোঃ সরোয়ার খাঁন, মোঃ হাসান খাঁন, মোঃ রহমান খাঁন, মোঃ সালাউদ্দিন সোহাগ, মোঃসাকিব খাঁন, মোঃ স্বাধীন খাঁন, মোঃ ছনেট খাঁন, মোঃ বশির খাঁন, মোঃ রুহুল আমিন খাঁন, মোঃ মেহেদী মুন্সি, মোঃ ইমন খাঁন, মোঃ সাহেব খাঁন, মোঃ রুবেল খাঁন, মোঃ আসলাম খাঁন, মোঃ সোহেল গাজী, মোঃ হেলাল গাজী, মোঃ রুবেল গাজী, সামিম খাঁন, তরিকুল ইসলাম রাজু খাঁন, রবিউল খাঁন, ইমন খাঁন, রাসেল খাঁন, রাসেল বয়াতি ও রানা খাঁন প্রমূখ।
উল্লেখ্য এই কাজের সাথে যুব সমাজের সবার সম্মিলিত সমর্থন ছিল, কিন্তু অনেকেই শারীরিক অসুস্থতা ও অন্যান্য কারনে ভাবে কাজ করতে পারেনি। অত্র এলাকার মানুষ আশা করে, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই কাজ খুব তাড়াতাড়ি বাস্তবায়ন করা হবে। এবং উক্ত অবহেলিত গ্রাম চরকাখানা একদিন উন্নয়নের রোল মডেলে হিসেবে পরিচিত লাভ করবে।